"> প্রাথমিকে শিক্ষক হিসেবে আবেদন করার পদ্ধতি – Nurunnaby Chowdhury

প্রাথমিকে শিক্ষক হিসেবে আবেদন করার পদ্ধতি

1039 0

অবশেষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) অধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এ নিয়োগ হবে ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল ১৩তম গ্রেডে। তবে দেশের সব জেলা থেকে আবেদন করতে পারলেও তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের প্রার্থীরা এতে আবেদন করতে পারবেন না।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী জানানো হয়, ২৫ অক্টোবর ২০২০ থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। আবেদন করার শেষ তারিখ ২৪ নভেম্বর ২০২০।

এ চাকুরির জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। অনলাইনে আবেদনের বিস্তারিত জানা যাবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের এ ওয়েবসাইটে। এ ওয়েবসাইটে গেলেই অনলাইনে আবেদনের ফরম পূরণের বিস্তাতি নির্দেশনা পাওয়া যাবে।

প্রার্থীকে অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করে সাবমিট করার পর সেই অ্যাপ্লিকেশন কপি প্রিন্ট করতে হবে। পরবর্তীতে সঠিকভাবে পূরণকৃত অ্যাপ্লিকেশন কপির ইউজার আইডি দিয়ে আবেদন ফি জমা দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে একটি বিষয়। একবার আবেদন ফি জমা দেওয়ার পর প্রার্থীর করা অ্যাপ্লিকেশন ফরম কোনো অবস্থায়ই সংশোধন বা প্রত্যাহার করা যাবে না। আর শুধুমাত্র ইউজার আইডিপ্রাপ্ত প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করার পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত এসএমএসের মাধ্যমে ফি প্রদান করতে পারবেন।

অনলাইনে আবেদন করার পর একটি ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড পাওয়া যাবে। এই ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড সব সময়ের জন্য প্রার্থীকে সংরক্ষণ করতে হবে। কারণ, এটির মাধ্যমেই প্রার্থী সব ধরনের তথ্যাদি পাবেন। প্রার্থীকে পরীক্ষার ফি বাবদ অফেরৎযোগ্য সার্ভিস চার্জসহ ১১০ টাকা যেকোনো টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইল নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে পাঠাতে হবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে। এখানে আবেদন ফি ১০০ টাকা এবং টেলিটকের সার্ভিস চার্জ ১০ টাকা।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস নিচ্ছেন একজন শিক্ষক

চাকুরিতে আগ্রহী প্রার্থীদের বয়স ২০ অক্টোবর ২০২০ তারিখে সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং ২৫ মার্চ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে এ বয়সসীমা হবে ৩২ বছর। এক্ষেত্রে বয়স নির্ধারনের ক্ষেত্রে এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

যে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সম্মান বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। এটি সকল পুরুষ ও নারীর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

সহকারী শিক্ষক পদে এর আগে পরীক্ষা পদ্ধতি ছিল ৮০ নম্বরের এমসিকিউ লিখিত পরীক্ষা এবং ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা। এর মধ্যে থাকত বাংলা, গণিত, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে প্রশ্ন । তবে এবারের নিয়োগের পদ্ধতি বা কত নম্বরের পরীক্ষা হবে সে বিষয়টি নির্ধারিত হয়নি। প্রার্থীদের পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার পর অধিদফতরের ওয়েবসাইট ও বিভিন্ন পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

আবেদনের আগে প্রার্থীকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিক করে নিতে হবে। প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর আবেদনপত্রের সঙ্গে অনলাইনে দাখিলকৃত আবেদনের ফটোকপি, পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি ছবি, প্রথম শ্রেণির গেজেটেড সরকারি কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কিত সব মূল বা সাময়িক সনদপত্র এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/পৌরসভার মেয়র/সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে।

সহকারী শিক্ষকরা ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩) (জাতীয় বেতনস্কেল, ২০১৫ অনুযায়ী) বেতন পাবেন। এবারের এ নিয়োগের মাধ্যমে সারাদেশে ২৫ হাজার ৬৩০ জন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক এবং ৬ হাজার ৯৪৭ শূন্যপদে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বিস্তারিত জানা যাবে এই ঠিকানা: সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

Leave a Reply